• বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • /
  • খবর
  • /
  • গোলাপগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙনে দিশেহারা তীরবর্তী মানুষ ।

গোলাপগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙনে দিশেহারা তীরবর্তী মানুষ ।

সংবাদদাতা: সরওয়ার হোসেন

  • খবর
  • স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • প্রকাশিতঃ ১৩ আগস্ট ২০২২

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের অনেকগুলো গ্রাম সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর তীব্র ভাঙনের মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে এলাকাগুলোর বেশকিছু বসতি ও বাজারের অংশবিশেষ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং বিশেষকরে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এই ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদী ভাঙনের ফলে শত শত বাড়িঘর, মসজিদ, বিদ্যালয়, হাটবাজারসহ বিস্তীর্ণ জনপদ হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ দেখার কেউ যেন নেই। এ জনপদকে রক্ষার ব্যাপারে নেই কারো কোনো উদ্যোগ।সংশ্লিষ্টরা নদীর তীর ভাঙন রোধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কারন স্থানীয় প্রভাবশালী ও সরকারদলীয় একদল রাজনৈতিক পরিচয়ধারী সন্ত্রাসীরা বালু উত্তোলনের মাধ্যমে অর্থবিত্তে ফুলেফেপে উঠেছে। গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মুন্নার নেতৃত্বে ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলনের সুরমা নদী তীরবর্তী এলাকাগুলি চরম হুমকির মধ্যে রয়েছে বিশেষ করে মোঘল আমলের ৫০০ বছরের পুরাতন একটি মসজিদ সহ অসংখ্য স্কুল কলেজ ,মাদ্রাসা ও বসতবিটা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা মুন্নাকে বাধা দিয়ে, পুলিশের শরণাপন্ন হয়েও কোন সুরাহা পাচ্ছেন না কারন স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন ও ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতারা ও কয়েকজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এই অবৈধ বালু উত্তোলন থেকে চাদা পেয়ে থাকেন। তাই সাধারন মানুষ নিরুপায় হয়ে তাদের বাড়ীঘর বিলীন হয়ে যেতে দেখছে।