• বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • /
  • খবর
  • /
  • ঢাকায় আসছেন ট্রাম্প প্রশাসনের দূত! আলোচনায় গণতন্ত্র, শুল্ক যুদ্ধ আর রোহিঙ্গা সংকট

ঢাকায় আসছেন ট্রাম্প প্রশাসনের দূত! আলোচনায় গণতন্ত্র, শুল্ক যুদ্ধ আর রোহিঙ্গা সংকট

  • খবর
  • স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • প্রকাশিতঃ ১৪ এপ্রিল ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসছে আগামী বুধবার (১৭ এপ্রিল)। তিন দিনের এই সফরে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী—দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক নিকোল চুলিক এবং পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলবিষয়ক অ্যান্ড্রু হেরাপ। এই সফরে গুরুত্ব পাবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, সংস্কার প্রক্রিয়া, ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক নীতি এবং মিয়ানমারের সংকটপূর্ণ পরিস্থিতি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ওয়াশিংটনে নিযুক্ত কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সফরের শুরুতেই ঢাকায় আসবেন নিকোল চুলিক এবং পরে আসবেন অ্যান্ড্রু হেরাপ। অ্যান্ড্রুর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন মিয়ানমারে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সুসান স্টিভেনসন। সফরের প্রথম দিন মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ধারণা নেবেন তাঁরা।

এই প্রতিনিধি দলটি বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা, নাগরিক সমাজ ও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। এরপর বৃহস্পতিবার তাঁদের বৈঠক হবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফর, তাই দুই দেশের মধ্যে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষভাবে আলোচনায় আসতে পারে ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপের বিষয়টি, যা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে প্রভাব ফেলতে পারে।

নিকোল চুলিকের সফরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কার, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করণীয়, গণতান্ত্রিক উত্তরণে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা—এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে অ্যান্ড্রু হেরাপের সফর জুড়ে থাকবে মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা সংকট। বিশেষ করে মিয়ানমারে জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণহীন এলাকা, মাদক চোরাচালান, অস্ত্র ব্যবসা, অপহরণ, মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে দেশটির সম্পৃক্ততা আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সফর শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর পর্যবেক্ষণের অংশ। তাই এ সফর থেকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারিত হতে পারে।


আর কোনো হেডলাইন বা ফরম্যাট দরকার হলে বলো, একদম ঝকঝকে করে বানিয়ে দেব! 😎📰