আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, আজ শনিবারও চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া যশোরে ৪১.৬ ডিগ্রি, রাজশাহী ও ঈশ্বরদীতে ৪১.৫ ডিগ্রি, কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। স্কেলের মানদণ্ডে চুয়াডাঙ্গাবাসী পুড়ছে অতি তাপপ্রবাহে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আজ শনিবার রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিগত কয়েক বছরের তুলনায় ঢাকার তাপমাত্রা বেড়ে গেছে অন্তত ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ বলেন, চলমান তাপমাত্রা আরও দুই-তিন দিন থাকবে। আগামী পরশু আরও কিছুটা বাড়তে পারে তাপমাত্রা। তারপর থেকেই আবার ক্রমান্বয়ে তাপমাত্রা কমতে থাকবে। সেটি ২ মে নাগাদ হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ শনিবার সকাল ৯টায় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলেছে, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় আজ বৃষ্টি হতে পারে। তাতে সেখানকার তাপমাত্রা কিছুটা কমবে।
বজলুর রশিদ বলেন, আগামী ২ মে দেশের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। সে সময় ঢাকায়ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৩ মে বা ৪ মে থেকে ধারণা করা হচ্ছে প্রায় সারা দেশেই বৃষ্টি হবে। ফলে তাপমাত্রা তখন অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে আসবে।
বজলুর রশিদ আরও বলেন, এপ্রিল হচ্ছে উষ্ণতম মাস। মে মাসেও মাঝে মাঝে তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যেহেতু মে মাসের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং ওই বৃষ্টিপাত তিন থেকে পাঁচ দিন হতে পারে। বৃষ্টি শেষ হয়ে গেলে ফের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। তখন অবশ্য দেশের অনেক জায়গায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
এই আবহাওয়াবিদ আরও বলেন, এপ্রিলে যেমন টানা তাপপ্রবাহ চলছে, মে মাসে হয়তো তেমন থাকবে না। বৃষ্টি শেষের পর চার-পাঁচ দিন তাপপ্রবাহ থাকলে তারপর ফের বৃষ্টি হবে।