• মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • /
  • খবর
  • /
  • খবর
  • /
  • ফ্লোর প্রাইসের সর্বোচ্চ ১০% নিচে লেনদেনের সুযোগ

ফ্লোর প্রাইসের সর্বোচ্চ ১০% নিচে লেনদেনের সুযোগ

  • খবর
  • স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • প্রকাশিতঃ ১৪ নভেম্বর ২০২২

পুঁজিবাজারে ফ্লোর প্রাইসের নিচে শেয়ার লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে, বাজারদর বিবেচনায় বিদ্যমান সার্কিট ব্রেকারের থেকে বেশি নিচে নামতে পারবে না।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) বিএসইসি থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান সার্কিট ব্রেকারের আওতায় ফ্লোর প্রাইস ছাড়া ব্লক মার্কেটে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করা যাবে। তবে, বর্তমান ফ্লোর প্রাইসের থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের বেশি নিচে নামতে পারবে না। অনেকটা ব্লক মার্কেটের জন্য এখনকার চেয়ে ১০ শতাংশ কমে আরেকটি ফ্লোর প্রাইস তৈরী করা হয়েছে নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে। যেমন: ২০ টাকা ফ্লোর প্রাইসের একটি শেয়ার ব্লকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ কমে ১৮ টাকায় লেনদেন করা যাবে। তবে, এই শেয়ারটি পরবর্তীতে ওই ১৮ টাকা বিবেচনায় আরও কমে লেনদেন হতে পারবে না। এটা আগের দিনের ক্লোজিং দর বিবেচনায় ১০ শতাংশ উত্থান-পতনে লেনদেন হতে পারবে। আর ফ্লোর প্রাইসের কারণে ক্লোজিং প্রাইস যেহেতু ২০ টাকার নিচে নামার সুযোগ নেই, তাই ব্লকেও ১৮ টাকার নিচে নামার সুযোগ থাকবে না।

এদিকে, ২০ টাকা ফ্লোর প্রাইসের একটি শেয়ার যদি আগের দিন ২০ টাকার ওপরে ক্লোজিং প্রাইস হয়, তাহলে ওই ওপরের দর বিবেচনায় ব্লকে শেয়ারটি ১০ শতাংশ উত্থান-পতনে লেনদেন হবে।

যদি ২০ টাকার ফ্লোর প্রাইসের একটি শেয়ারের গতকালের ক্লোজিং প্রাইস হয় ২১ টাকা। এই অবস্থায় ব্লকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ কমে সর্বনিম্ন ১৮.৯০ টাকায় লেনদেন হতে পারবে।

এর আগে করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো যখন ফ্লোর প্রাইসের কারণে লেনদেন তলানিতে নামে, তখন ফ্লোর প্রাইসের নিচে ব্লকে লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ওই বছরের ১৯ মার্চ কমিশন প্রতিটি কোম্পানির শেয়ারের সর্বনিম্ন দাম বেঁধে দিয়ে ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু, অধিকাংশ কোম্পানিতে ক্রেতা না থাকায় লেনদেন তলানিতে চলে যায়। সেই পরিস্থিতিতে ওই বছরের ১০ জুন ব্লক মার্কেটে ফ্লোরের নিচে লেনদেন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

বিদ্যমান সার্কিট ব্রেকারে ২০০ টাকা পর্যন্ত দরের শেয়ারে ১০ শতাংশ উত্থান-পতনের সীমা থাকলেও এর উপরের শেয়ারে এ হার কম। ২০১ টাকা থেকে ৫০০ টাকার শেয়ারে ৮.৭৫ শতাংশ, ৫০১ টাকা থেকে ১০০০ টাকার শেয়ারে ৭.৭০ শতাংশ, ১০০১ টাকা থেকে ২০০০ টাকার শেয়ারে ৬.২৫ শতাংশ, ২০০১ টাকা থেকে ৫০০০ টাকার শেয়ারে ৫ শতাংশ এবং ৫০০০ টাকার ওপরের শেয়ারে ৩.৭৫ শতাংশ উত্থান-পতনের সীমা আছে।