• বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • /
  • খবর
  • /
  • খবর
  • /
  • ভেদেরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা: ছয় মাস পর আসামি গ্রেফতার

ভেদেরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা: ছয় মাস পর আসামি গ্রেফতার

  • খবর
  • স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • প্রকাশিতঃ ১৯ ডিসেম্বর ২০২২

শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২০ জুন অতর্কিত হামলা চালায় আবু আলেম গংদের উপরে তাহার ভাতিজা প্রভাবশালী রাসেল হাওলাদার। 

ঘটনার সূত্রে জানা যায়, মৃত গিয়াস উদ্দিন হাওলাদারের দুই ছেলে আবুল হাসেম হাওলাদার ও আবু আলেম হাওলাদার তাদের বাবার রেখে দেওয়া সম্পত্তি  সমান ভাগে ভোগ দখল করে আসছিল। আবু আলেমের বড় ভাই আবুল হাসেম হাওলাদারের মৃত্যু হলে  তার ছেলে রাসেল হাওলাদার  বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তাহার চাচার বাড়ির অংশের  দুটি পুকুর  জমি  জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালায়। এ ব্যাপারে বাধা প্রদান করিতে গেলে রাসেল দলবল নিয়ে তাঁর চাচার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। রাসেলের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আবু আলেম হাওলাদারের স্ত্রী গোলেনুর বেগমের হাতে কোপ দিয়ে জখম করে। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে গ্রামে মানুষ ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায়। এ সময়  গোলেনুর বেগমকে এলাকাবাসী উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থা খারাপ দেখে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার হাতের তিনটি রগ কেটে যাওয়ায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

এ বিষয়ে  থানায় অভিযোগ করতে গেলে রাসেল হাওলাদার তার চাচাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে আবু আলেম হাওলাদার ভেদরগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে রাসেল হালদার, লুৎফুর নেছা বেগম, জেসমিন আক্তার, স্বামী সালাম বার্লির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরে  ভুক্তভোগী পরিবার স্বামী সন্তানদের নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায়  বিচারের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান। ঘটনা ছয় মাস পরে ১৮ ডিসেম্বর পুলিশ এক নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠান। 

ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী গোলেনুর বেগম  বলেন তাদের পরিবারকে উচ্ছেদ করার উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে রাসেল এলাকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত  তাদের বিরুদ্ধে গ্রামের কেউ মুখ খোলে না তারা সবাই জিম্মি। তিনি আরো বলেন আসামি গ্রেফতার হয়েছে  আদালত যেন তার সঠিক বিচার করেন  এবং তিনি যেন তার স্বামী সন্তানদের নিয়ে নির্ভয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী  অসহায় পরিবার।এ বিষয়ে রাসেল হাওলাদারের বাড়িতে জানতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি।