এমপিরা গাড়িগুলোর জন্য নিজেদের পছন্দমতো মডেল বাছাই করলেও শুল্ক ছাড়ের সুবিধা বাতিল হওয়ায় এসব গাড়ি খালাস নিতে পারেননি। ফলে প্রায় ২৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ হারানোর মুখে পড়েছেন তাঁরা। এ নিয়ে আত্মগোপনে থাকা এক সাবেক এমপি মন্তব্য করেছেন, "গাড়ি কেনা বাবদ কোটি টাকা জলে গেল। এ রকম বিলাসিতা আর সম্ভব নয়।"
২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্যরা ৫৭৬টি গাড়ি শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করেছেন। এই সুবিধার অপব্যবহার নিয়ে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, জনগণের টাকার অপচয় রোধে বিলাসবহুল পণ্য থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধা বাদ দেওয়া উচিত।
নিলামপ্রক্রিয়া চলবে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, যেখানে যেকেউ অংশ নিতে পারবেন। আগ্রহীরা ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গাড়িগুলো সরেজমিনে দেখার সুযোগ পাবেন।
এ ঘটনা সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত সুবিধা ব্যবস্থার প্রথমবারের মতো বড় ধাক্কা হিসেবে ধরা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে এই সুবিধা পুনর্বিবেচনার প্রভাব ফেলতে পারে।