• বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • /
  • খবর
  • /
  • খবর
  • /
  • ‘বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প কক্সবাজারে’

‘বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প কক্সবাজারে’

  • খবর
  • স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • প্রকাশিতঃ ৩০ নভেম্বর ২০২২

বিশ্বে বর্তমানে আটজনের মধ্যে একজন অর্থাৎ ১০০ কোটির বেশি অভিবাসী রয়েছে। ২৮১ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক অভিবাসীসহ কয়েক মিলিয়ন রাষ্ট্রহীন রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, বৈষম্য বেড়ে যাওয়া, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, বাণিজ্য এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলছে। শরণার্থী ও অভিবাসীদের সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং সব ধরনের চাহিদা পূরণে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।


সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বনানী শেরাটনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), বাংলাদেশ আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলা হয়। ডব্লিউএইচও ঢাকায় শরণার্থী এবং অভিবাসীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বার্ষিক গ্লোবাল স্কুলের তৃতীয় সংস্করণের আয়োজন করতে যাচ্ছে।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রস আধানম বলেন, ‘অভিবাসন এবং বাসস্থানের পরিবর্তন শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত পার্থক্য, আর্থিক বাধা এবং বৈষম্য সবই তাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা দানের পথকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারে।’


তিনি বলেন, এই বাধাগুলো অতিক্রম করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শরণার্থী এবং অভিবাসীদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় ‘ডব্লিউএইচও গ্লোবাল স্কুল’ স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্ষমতা তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যদিও সব শরণার্থী এবং অভিবাসীরা দুর্বল না। তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বৈষম্য থেকে দরিদ্র জীবনযাপন, আবাসন এবং কাজের পরিস্থিতির স্বীকার।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্থানীয় পরিচালক পুনম ক্ষেত্রপাল সিং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘স্বাস্থ্য এমন একটি মানবাধিকার যা সবার জন্যই মৌলিক। বিশেষ করে শরণার্থী এবং অভিবাসীদের জন্য আরও বেশি। কারণ তাদের মধ্যে যারা ঝুঁকিতে রয়েছেন বা ইতিমধ্যেই পিছিয়ে রয়েছেন।’


প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল স্কুলের লক্ষ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং সেসব দেশের সরকারের সহযোগিতায় দেশগুলোর শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো।


পুনম ক্ষেত্রপাল সিং বলেন, ‘এই বছর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ৭.১ মিলিয়নেরও বেশি বাংলাদেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যা ২০৫০ সালের মধ্যে ১৩.৩ মিলিয়নে পৌঁছাতে পারে। ১৯৭৮ সাল থেকে দেশের কিছু মানুষকে বাস্তুচ্যুত করা হয়। পাশাপাশি মিয়ানমারের নাগরিকদের জোর করে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। যাদের প্রত্যেকের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন। আর কক্সবাজারকে বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলির মধ্যে একটি চিহ্নিত করা হয়েছে।’


স্থানীয় পরিচালক বলেন, ‘বাংলাদেশ শুধুমাত্র তাদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবাই দেয়নি। এর মধ্যে সম্প্রতি কোভিড টিকাও দিয়েছে। তবে ডব্লিউএইচও গ্লোবাল স্কুল প্রধান সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং আইনি দুর্বলতাগুলি দূর তরতে সমন্বিত চেষ্টা করছে।’