• শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • /
  • পুঁজিবাজার
  • /
  • জ্বালানি খাতের ৯ কোম্পানিতে সুখবর, মন্দা ৮টিতে

জ্বালানি খাতের ৯ কোম্পানিতে সুখবর, মন্দা ৮টিতে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২৩ কোম্পানির মধ্যে ২১টি কোম্পানি ৩১ মার্চ‘২৪ পর্যন্ত সর্বশেষ প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।


আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সর্বশেষ অর্থাৎ তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ৯টি কোম্পানির। একই সময়ে আয় কমেছে ৮টির এবং লোকসানে রয়েছে ৪টি কোম্পানির। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।


আয় বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- যমুনা অয়েল, এমজেএল বাংলাদেশ, সামিট পাওয়ার, শাহজিবাজার পাওয়ার, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, পদ্মা অয়েল, পাওয়ার গ্রিড এবং মেঘনা পেট্রোলিয়াম।


যমুনা অয়েল


চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ১৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ৫ টাকা ৫৪ পয়সা।


অন্যদিকে, তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির ২৬ টাকা ৬০ পয়সা আয় হয়েছে। গতবছর একই সময়ে ২০ টাকা ৮১ পয়সা আয় হয়েছিল।


এমজেএল বাংলাদেশ


চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ১ টাকা ৩০ পয়সা আয় হয়েছিল।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক (জুলাই ২৩-মার্চ ২৪) মিলিয়ে কোম্পানিটির ৬ টাকা ৫৫ পয়সা আয় হয়েছে। গতবছর একই সময়ে ৫ টাকা ৪৬ পয়সা আয় হয়েছিল।


সামিট পাওয়ার লিমিটেড


চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৯ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ৪৮ পয়সা আয় হয়েছিল।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক (জুলাই ২৩-মার্চ ২৪) মিলিয়ে কোম্পানিটির ২ টাকা ৪০ পয়সা আয় হয়েছে। গতবছর একই সময়ে ২ টাকা ৫ পয়সা আয় হয়েছিল।


শাহজিবাজার পাওয়ার


চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ১ টাকা ৩৯ পয়সা আয় হয়েছিল।


হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ৭৭ পয়সা। যেখানে আগের বছর একই সময়ে ৪৮ পয়সা আয় হয়েছিল।


ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন


সমাপ্ত সময়ের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিতভাবে শেয়ার প্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৩৯ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ৪ টাকা ২৮ পয়সা আয় হয়েছিল।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক মিলিয়ে বা ৯ মাসে (জুলাই ২৩-মার্চ ২৪) কোম্পানিটির ১৩ টাকা ২২ পয়সা আয় হয়েছে। গতবছর একই সময়ে ১৪ টাকা ১৩ পয়সা আয় হয়েছিল।


সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল


চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৬ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ১৪ পয়সা আয় হয়েছিল।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক মিলিয়ে বা ৯ মাসে (জুলাই ২৩-মার্চ ২৪) কোম্পানিটির ২ টাকা ২১ পয়সা আয় হয়েছে। গত বছর একই সময়ে যা ৬০ পয়সা লোকসান হয়েছিল।


পদ্মা অয়েল


তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ২২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৬ টাকা ২৭ পয়সা।


অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৪ টাকা ৮৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২২ টাকা ৪০ পয়সা।


পাওয়ার গ্রিড


তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩৭ পয়সা। আগের অর্থবছরে শেয়ার প্রতি ৫৬ পয়সা লোকসান হয়েছিল।


অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৮ পয়সা। আগের অর্থবছরে ৩ টাকা ৬৩ পয়সা লোকসান হয়েছিল।


মেঘনা পেট্রোলিয়াম


চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ টাকা ৭৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭ টাকা ৯১পয়সা।


অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৭ টাকা ২২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৪ টাকা ৯৫ পয়সা।



আয় কমেছে আট কোম্পানির


আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সর্বশেষ অর্থাৎ তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে ৮টি কোম্পানির। একই সময়ে আয় বেড়েছে ৯টি এবং লোকসানে রয়েছে ৪টি কোম্পানি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


আয় কমে যাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন, বারাকা পাওয়ার, জিবিবি পাওয়ার, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস, লিন্ডে বিডি, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার এবং লুবরেফ বাংলাদেশ।


এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন


চলতিঅর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ১২ পয়সা আয় হয়েছিল।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক (জুলাই ২৩-মার্চ ২৪) মিলিয়ে কোম্পানিটির ১৪ পয়সা আয় হয়েছে। গতবছর একই সময়ে ৩৬ পয়সা আয় হয়েছিল।


বারাকা পাওয়ার


অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৭ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ৬৬ পয়সা আয় হয়েছিল।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক (জুলাই ২৩-মার্চ ২৪) মিলিয়ে কোম্পানিটির ১ টাকা ১৯ পয়সা আয় হয়েছে। গতবছর একই সময়ে ২৭ পয়সা আয় হয়েছিল।


বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার


অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৯ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ৫৩ পয়সা আয় হয়েছিল।


হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮৭ পয়সা। যেখানে আগের বছর একই সময়ে ১ টাকা ০৫ পয়সা লোকসান হয়েছিল।


জিবিবি পাওয়ার


অর্থবছরেরতৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১৫ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ২৭ পয়সা আয় হয়েছিল।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক (জুলাই ২৩-মার্চ ২৪) মিলিয়ে কোম্পানিটির ৬২ পয়সা লোকসান হয়েছে। গত বছর একই সময়ে ৮০ পয়সা আয় হয়েছিল।


ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং


তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২৯ পয়সা।


অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৩৩ পয়সা।


ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস


অর্থবছরেরতৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৬১ পয়সা।


অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৯৯ পয়সা।


লিন্ডে বিডি


অর্থবছরের তীয় প্রান্তিকে (জুলাই- সেপ্টেম্বর’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৩ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৩ টাকা ৮৩ পয়সা।


অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি’২৩- সেপ্টেম্বর’২৩) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩১ টাকা ৮৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৮ টাকা ৭৮ পয়সা।


লুবরেফ বাংলাদেশ


চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৬ পয়সা।


অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা।


লোকসানে চার কোম্পানি


লোকসানে থাকা কোম্পানিগুলো হলো- ডেসকো, ডরিন পাওয়া, খুলনা পাওয়ার এবং তিতাস গ্যাস।


ডরিন পাওয়ার


চলতিঅর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ( জানুয়ারি’২৪-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৬০ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ১ টাকা ৩ পয়সা আয় হয়েছিল।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ২ টাকা ২৩পয়সা। গতবছর একই সময়ে ১ পয়সা ৭৯ আয় হয়েছিল।


খুলনা পাওয়ার


অর্থবছরেরতৃতীয় প্রান্তিকে ( জানুয়ারি’২৪-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১০ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৬ পয়সা।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ২৩পয়সা। গতবছর একই সময়ে ২ পয়সা ৬ লোকসান হয়েছিল।


ডেসকো


অর্থবছরেরতৃতীয় প্রান্তিকে ( জানুয়ারি’২৪-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৮৯ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৩ টাকা ৬৫ পয়সা।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ৮১ পয়সা। গতবছর একই সময়ে ৩ টাকা ৪৪ লোকসান হয়েছিল।


তিতাস গ্যাস


অর্থবছরেরতৃতীয় প্রান্তিকে ( জানুয়ারি’২৪-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ১৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা।


অন্যদিকে তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সা। গতবছর একই সময়ে ৮ পয়সা আয় হয়েছিল।