বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ারবাজারের সূচক কমে যাওয়াই ফান্ডগুলোর পারফরম্যান্সে সবচেয়ে বড় আঘাত করেছে। চলতি অর্থবছরে প্রধান সূচক ৫০২ পয়েন্ট বা ৯.৪০ শতাংশ কমে যাওয়ায় মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর পোর্টফোলিওতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভালো মানের শেয়ারও দামে নেমে গেছে।
এছাড়া অবাস্তব ক্ষতির বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন রাখার নিয়মে নগদ প্রবাহ ব্যাপকভাবে কমে গেছে। এর ফলে ডিভিডেন্ড ঘোষণার মতো তহবিল হাতে থাকেনি। একই সঙ্গে গত দুই বছরে কোনো নতুন আইপিও না আসায় অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছে ফান্ডগুলো।
আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার জানান, প্রভিশনিংয়ের কারণে লোকসান কমাতে কিছুটা সুবিধা হলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি কঠিন। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড গত বছর ১৬৬ মিলিয়ন টাকা লোকসান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে এ বছর ৩৫ মিলিয়ন টাকা মুনাফা করেছে।
তবুও বাজার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন— একের পর এক শূন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্তমানে তালিকাভুক্ত ৩৭টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে মাত্র তিনটি— ফার্স্ট প্রাইম, গ্রামীণ-টু ও রিলায়েন্স-ওয়ান— ফেস ভ্যালুর উপরে লেনদেন হচ্ছে।