দেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও এ-সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আজ বৈঠক করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউিরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বৈঠকে বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ সভাপতিত্ব করবেন। গতকাল বিএসইসির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি নোটিস জারি করা হয়েছে।
বৈঠকের অংশগ্রহণের জন্য বিএসইসির পক্ষ থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এটিএম তারিকুজ্জামান, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রেসিডেন্ট মাজেদা খাতুনসহ পুঁজিবাজারের শীর্ষ ১০ ব্রোকারেজ হাউজের প্রধান নির্বাহীদের বলা হয়েছে। শীর্ষ ১০ ব্রোকারেজের মধ্যে রয়েছে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড, সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, শান্তা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড ও ইউনাইটেড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।
বিএসইসির কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাজারের বিদ্যমান পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বাজার পরিস্থিতির উন্নয়নে বিএসইসির পক্ষ থেকে কোনো করণীয় থাকলে সে বিষয়েও তাদের মতামত নেয়া হবে। তাছাড়া বাজারে কীভাবে তারল্য সরবরাহ বাড়ানো যায়, সে বিষয়েও আলোচনা করা হবে বলে জানান তারা।
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি: ঈদুল ফিতরের পর পাঁচ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক কমেছে সাড়ে ৩ শতাংশের বেশি। গতকাল ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৬৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, ৯ এপ্রিল যা ছিল ৫ হাজার ৮৬৪ পয়েন্টে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ ঈদের পর ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৮২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, ৯ এপ্রিল শেষে যা ছিল ২ হাজার ৩২ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, ৯ এপ্রিল শেষে যা ছিল ১ হাজার ২৮২ পয়েন্টে।