বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই তিন মাসে বাজার মূলধনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ৭টির বাজারমূল্য কমে গেছে। মাত্র ২টি কোম্পানি বেড়েছে, একটি রয়েছে অপরিবর্তিত। এসব কোম্পানির শেয়ারের দরপতনের ফলে শেয়ারবাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি (বিএটিবিসি)। বছরের শুরুতে যার বাজার মূলধন ছিল ১৯,৮৫০ কোটি টাকা, মার্চ শেষে তা নেমে এসেছে ১৭,৪৬৩ কোটিতে—হ্রাস প্রায় ২,৩৮৭ কোটি টাকা।
রেনাটা লিমিটেড হারিয়েছে ১,৫৪৪ কোটি টাকার বাজারমূল্য, রবি আজিয়াটা ১,১৫২ কোটি টাকা এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ হারিয়েছে ৭৫১ কোটি টাকা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাব ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তাই এই ধসের মূল কারণ। বাজারে প্রাণ ফেরাতে জরুরি এখনই কার্যকর প্রণোদনা এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা।