দেশের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা আরও গভীর হয়েছে। বিদায়ী সপ্তাহে (৮-১২ ডিসেম্বর) টানা দরপতনের ফলে শেয়ারবাজার থেকে উধাও হয়েছে ১১ হাজার ২০৮ কোটি টাকার বেশি। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে ১.৬৯ শতাংশ।
সপ্তাহ শেষে ডিএসই এক্স সূচক কমেছে ৯১.৩৯ পয়েন্ট (১.৭৬%), যা দাঁড়িয়েছে ৬,১০৫.৪৩ পয়েন্টে।
ডিএসই-৩০ সূচক ৩০.০২ পয়েন্ট (১.৫৭%) কমে হয়েছে ১,৮৮১.৯০ পয়েন্ট এবং
ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২৩.৯২ পয়েন্ট (২.০৬%) কমে হয়েছে ১,১৪০.০৫ পয়েন্ট।
সপ্তাহটিতে ডিএসইতে মোট ৩৯২টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়।
ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১,৬১০ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৬১০ কোটি টাকা কম।
সপ্তাহজুড়ে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে:
বস্ত্র খাত ব্যতিক্রম হিসেবে ০.৬০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
সপ্তাহজুড়ে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (২৭.৮৮%)। শীর্ষ তালিকায় আরও ছিল:
ব্লক মার্কেটে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন কোম্পানির শেয়ারে।
টানা দরপতন এবং লেনদেনের কমে যাওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীরা চরম উদ্বেগে রয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে আস্থা ফেরাতে পলিসি সহায়তা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
পরিশেষে, শেয়ারবাজারের এমন অস্থির পরিস্থিতি কাটাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর সমাধান না হলে বিনিয়োগকারীদের লোকসানের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাজার বিশ্লেষকরা।