• বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • /
  • পুঁজিবাজার
  • /
  • ১৮ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের শেয়ার কিনতে মরিয়া, সবগুলো হল্টেড

১৮ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের শেয়ার কিনতে মরিয়া, সবগুলো হল্টেড

  • পুঁজিবাজার
  • স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • প্রকাশিতঃ ৩ নভেম্বর ২০২৪

পুঁজিবাজারে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার মূল্যসূচক কমার সঙ্গে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৯০ পয়েন্টে নেমে আসে। রোববার লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৮টির, কমেছে ১৮১টির ও অপরিবর্তীত রয়েছে ৩৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৩১ কোটি টাকা।


অন্যদিকে ৩ নভেম্বর রোববার সর্বোচ্চ দর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে ১৮ প্রতিষ্ঠানের।


এর মধ্যে রোববার আফতাব অটোমোবাইলসের শেয়ার দর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ দর বেড়ে ৩৪ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের দর ৯.৫২ শতাংশ বেড়ে ৬ টাকা ৯০ পয়সায়, বসুন্ধরা পেপার মিলের শেয়ার দর ৯.৭৮ শতাংশ বেড়ে ৩০ টাকা ৩০ পয়সায়, ইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর ৮.১১ শতাংশ বেড়ে ৪ টাকায়, এমারেল্ড অয়েলের দর ৯.৭৮ শতাংশ বেড়ে ২৪ টাকা ৭০ পয়সায়, গ্লোবাল হ্যাবি কেমিক্যালের দর ৯.৮৪ শতাংশ বেড়ে ২০ টাকা ১০ পয়সায়, হামি ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর  ৯.৯৯ শতাংশ বেড়ে ৮০ টাকা ৪০ পয়সায়, আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর ৯.০৯ শতাংশ বেড়ে ৭ টাকা ২০ পয়সায়, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর ৮.৮২ শতাংশ বেড়ে ৩ টাকা ৭০ পয়সায়, লিন্ডে বাংলাদেশের দর ৭.৪৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১২ টাকা ৯০ পয়সায়, নিউলাইন ক্লোর্থিংয়ের দর ১০ শতাংশ বেড়ে ১৫ টাকা ৪০ পয়সায়,, ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোডসের দর ৯.৬৫ শতাংশ বেড়ে ২৫ টাকায়, ওরিয়ন ইনফিউশনের দর ৮.৭২ শতাংশ বেড়ে ৩০৬ টাকা ৭০ পয়সায়, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দর ৯.৬৬ শতাংশ ১৯ টাকা ৩০ পয়সায়, সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দর ৯.৫২ শতাংশ বেড়ে ২০ টাকা ৭০ পয়সায়, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের দর ৯.৬১ শতাংশ বেড়ে ২৫ টাকা ১০ পয়সায়, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর ৮.৩৩ শতাংশ বেড়ে ৩ টাকা ৯০ পয়সায়, ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ডের দর ১০ শতাংশ বেড়ে ৫ টাকা ৫০ পয়সায় উঠে আসে।


এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইডনিট কিনতে মরিয়া হয়ে ওঠে এক শ্রেণির বিনিয়োগকারী। ফলে ব্যাপক চাহিদার ফলে হু হু করে দর বেড়ে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট হল্টেড হয়ে যায়।