• মঙ্গলবার ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০২৫ সালে ব্যাংক ছুটি: ২৭ দিন

২০২৫ সালে দেশের ব্যাংকগুলো সরকারি ছুটির কারণে মোট ২৭ দিন বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে আট দিন সাপ্তাহিক ছুটি। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করে তফসিলি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।  


চলতি বছরে (২০২৪) ব্যাংক ছুটি ছিল ২৪ দিন। তবে আগামী বছরে ছুটির সংখ্যা বেড়ে ২৭-এ পৌঁছেছে। ধর্মীয় উৎসব, জাতীয় দিবস এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলো এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।  


প্রধান ছুটির দিনগুলো

শবে বরাত:** ১৫ ফেব্রুয়ারি (শনিবার)  

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:** ২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার)  

স্বাধীনতা দিবস:** ২৬ মার্চ (বুধবার)  

জুমাতুল বিদা ও শবে কদর:** ২৮ মার্চ (শুক্রবার)  

ঈদুল ফিতর:** ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল (পাঁচ দিন, এর মধ্যে একটি সাপ্তাহিক ছুটি)  

নববর্ষ:** ১৪ এপ্রিল (সোমবার)  

মে দিবস:** ১ মে (বৃহস্পতিবার)  

বুদ্ধপূর্ণিমা:** ১১ মে (রোববার)  

ঈদুল আজহা:** ৫ থেকে ১০ জুন (ছয় দিন, এর মধ্যে দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি)  

আশুরা:** ৬ জুলাই (রোববার)  

জন্মাষ্টমী:** ১৬ আগস্ট (শনিবার)  

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.):** ৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার)  

দুর্গাপূজা:** ১ ও ২ অক্টোবর (বুধবার ও বৃহস্পতিবার)  

বিজয় দিবস:** ১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার)  

বড়দিন:** ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার)  

ব্যাংক হলিডে:** ১ জুলাই ও ৩১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার ও বুধবার)  



বিশেষ তথ্য  

- চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে শবে বরাত, শবে কদর, ঈদুল ফিতর, বুদ্ধপূর্ণিমা, ঈদুল আজহা, আশুরা এবং ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর চূড়ান্ত তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে।  

- কিছু সরকারি ছুটি সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে টানা ছুটির সুযোগ তৈরি করেছে।  



টানা ছুটির সুযোগ  


ব্যাংকাররা ২০২৫ সালে কয়েকটি বিশেষ সময় টানা ছুটির সুযোগ পাবেন:  


মে দিবস, বুদ্ধপূর্ণিমা, আশুরা, বড়দিন: তিন দিনের টানা ছুটি।  


দুর্গাপূজা: চার দিনের টানা ছুটি।  


দ্রষ্টব্য: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শোক দিবস ২০২৫ সালের ছুটির তালিকা থেকে নির্বাহী আদেশে বাদ দেওয়া হয়েছে।  



ছুটির সংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব


ছুটির সংখ্যা বৃদ্ধিতে ব্যাংকার ও গ্রাহকদের জন্য কিছু সুবিধা ও অসুবিধা তৈরি হতে পারে। দীর্ঘ ছুটির সময়ে ব্যাংকিং কার্যক্রমে সাময়িক বিরতি পড়লেও সাপ্তাহিক পরিকল্পনা এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধার মাধ্যমে বেশিরভাগ চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে।