
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
Published:13 May 2025, 06:56 AM
পুঁজিবাজারে ঝড় তুললো ১৫ দফা দাবি! প্রধান উপদেষ্টার দোরগোড়ায় ‘ক্যাপমিনাফ’
৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ: আসন্ন বাজেটে পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতায় বড় বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
১০% এর নিচে সুদের হার: ব্যাংক সুদ কমিয়ে বিনিয়োগে উৎসাহ দিতে হবে।
বিএসইসি চেয়ারম্যান অপসারণ: অভিজ্ঞ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগের দাবি।
বিদেশি ও বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য ইনসেনটিভ: তারল্য বাড়াতে হবে।
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: সালমান এফ. রহমান ও হাসান তাহের ইমামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দাবি।
উদ্যোক্তাদের ৩০% শেয়ারধারণ নিশ্চিত করা।
আইসিবির ৩,০০০ কোটি টাকার ব্যয় স্বচ্ছভাবে প্রকাশ।
মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জোরালো সক্রিয়তা নিশ্চিত।
লিস্টেড কোম্পানির দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা।
আর্থিক প্রতিবেদন স্বচ্ছ ও ডিভিডেন্ডে উৎসাহ।
করমুক্ত আয়সীমা ৭ লাখ ও মার্জিন ঋণের সুদ মওকুফ।
মূলধনী মুনাফার কর ৫% নির্ধারণ।
মজবুত কোম্পানি তালিকাভুক্তি, দুর্বলদের বর্জন।
ইনভেস্টরস ওয়েলফেয়ার ফান্ড ও AGM বাধ্যতামূলক।
প্রতিমাসে সমন্বয় সভার প্রস্তাব।
ক্যাপমিনাফ সভাপতি রুহুল আমিন আকন্দ বলেন, “বর্তমানে পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট নিরসনে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ সময়ের দাবি। প্রতিবেশী দেশগুলোর মতো আমাদেরও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”
এই দাবিগুলোর পেছনে রয়েছে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, হতাশা ও ক্ষতির অভিজ্ঞতা। সরকারের তরফ থেকে ইতিবাচক সাড়া এলে এটি বাজারে স্বস্তি ফেরাতে পারে। তবে দাবিগুলোর মধ্যে কিছু রাজনৈতিক অভিযোগ ও ব্যক্তিনির্দিষ্ট আক্রমণও রয়েছে, যা বিতর্ক তৈরি করতে পারে।
পুঁজিবাজারকে টেকসই ও বিনিয়োগবান্ধব করতে হলে বাস্তবভিত্তিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর উদ্যোগ দরকার। ক্যাপমিনাফের এই দাবি তালিকা বিতর্কের জন্ম দিলেও, এটি সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার জন্য একটি জোরালো বার্তা—“বিনিয়োগকারীদের এখন বিশ্বাস ফেরানোর সময়।”