logo

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা

আপন ঘর ডেস্ক

Published:14 Aug 2024, 05:28 AM

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা


টানা চার কার্যদিবস উত্থানের পর দুদিন ধরে দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এতে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ায় গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন কমেছে। এর মধ্যে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। পাশাপাশি এক্সচেঞ্জটিতে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ কমেছে ১১ দশমিক ২ শতাংশ। দেশের আরেক পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) গতকাল সূচক ও লেনদেন কমেছে।


বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, টানা চার কার্যদিবসের উত্থানের কারণে বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিওতে থাকা শেয়ারের মূল্য বেড়েছে। ফলে অনেকেই এ মুনাফা তুলে নেয়ার জন্য শেয়ার বিক্রি করেছেন। বিশেষ করে প্রকৌশল, সেবা ও আবাসন এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে শেয়ার বিক্রির চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি। এতে গতকাল পুঁজিবাজারে দর সংশোধন হয়েছে।


বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই শেয়ার বিক্রির চাপে পয়েন্ট হারাতে থাকে সূচক। মাঝে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা থাকলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। এতে গতকাল দিন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৬৪ পয়েন্ট কমে  দাঁড়ায় ৫ হাজার ৮৬৮ পয়েন্টে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৫ হাজার ৯৩২ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৫৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ২৭১ পয়েন্ট। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস ৩০ আগের দিনের তুলনায় ১৯ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৩৪ পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২ হাজার ১৫৩ পয়েন্টে।


গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল ইসলামী ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, বিএসআরএম লিমিটেড ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানির (বিএটিবিসি) শেয়ারের।


ডিএসইতে গতকাল ১ হাজার ১৫ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা। সে হিসেবে লেনদেন কমেছে ১১ দশমিক ২ শতাংশ। গতকাল ডিএসইতে মোট ৩৯৯টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ১০৬টির, কমেছে ২৬৯টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২৪টির বাজারদর।


খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে মোট লেনদেনের ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে ছিল ব্যাংক খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ লেনদেন ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের দখলে। আর ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ লেনদেন নিয়ে তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। এছাড়া খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ৮ দশমিক ৭ ও জীবন বীমা খাতের দখলে ছিল মোট লেনদেনের ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।