logo

প্রধানমন্ত্রী সন্মতি দিলে চলতি মাসেই ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

Published:01 Dec 2022, 07:19 PM

প্রধানমন্ত্রী সন্মতি দিলে চলতি মাসেই ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন


যদি প্রধানমন্ত্রীর সন্মতি পাওয়া যায় তাহলে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন হবে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে আরো ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের অগ্রগতি সম্বলিত প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। 


সেখানে বলা হয়, ২০২১ সালের ১০ জুন ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হয়েছে। নির্মাণ কাজ চলছে আরো ২৮৬টির। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পেলে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হবে। আগামী ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে উদ্বোধন করা হবে আরো ৫০ টি মডেল মসজিদ।


প্রতিবেদনে ২৮৬টি মডেল মসজিদ নির্মাণকাজের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ভিতের কাজ চলমান আছে ৮৯টির, গ্রেড বিমের ঢালাই হয়েছে ৮টির, নিচতলার কলাম ঢালাই হয়েছে ৪৭টির, ১ম তলার ছাদ ঢালাই হয়েছে ৪২টির, ২য় তলার ছাদ ঢালাই হয়েছে ২৯টির, ৩য় তলার ছাদ ঢালাই হয়েছে ৫৯টির ও চতুর্থ তলার ছাদ হয়েছে ১২টির।


কমিটির সভাপতি মো. হাফেজ রুহুল আমীন মাদানীর সভাপতিত্বে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, শওকত হাচানুর রহমান (রিমন),  মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্, জিন্নাতুল বাকিয়া ও মোসা. তাহমিনা বেগম অংশগ্রহণ করেন।


এদিকে কমিটির আগের বৈঠকে সৌদি আরবে হাজিদের তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ না থাকা এবং প্রয়োজনে পাওয়া না যাওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। কমিটি হাজিদের তদারকির জন্য প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং কাজের অভিজ্ঞতা যাচাই করে পাঠানোর সুপারিশ করে। ওই বৈঠকে কমিটির সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি বলেন, ‌‌‌বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন করেন তারা প্রশিক্ষিত নন এবং প্রয়োজনে কাউকে পাওয়া যায় না। তিনি মক্কা ও মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের যে সকল ছাত্ররা আছেন তাদের প্রধান্য দেওয়া যেতে পারে বলে বৈঠকে জানান।


বৃহস্পতিবারের বৈঠকে এর অগ্রগতি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা প্রণয়নের জন্য সাত সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটির কাজ চলমান রয়েছে। একই প্রতিবেদনে হজ ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণলায়ের অধীনে পৃথক বিভাগের সুপারিশ করেছিল সংসদীয় কমিটি। এ সুপারিশ আলোচনা ও পর্যালোচনা পর্যায়ে রয়েছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। কার্যক্রম গৃহিত হলে পরে কমিটিকে জানানো হবে।


এছাড়া হাজিদের থাকা-খাওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার বিষয়ে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাস্থ্য নির্দেশিকা তৈরির জন্য ১০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়। হজের সময় যেসব এজেন্সি এক কিলোমিটারের মধ্যে বাড়িভাড়া করার নির্দেশনা মানেনি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানানো হয়েছে বৈঠকে।