logo

বাংলাদেশে প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার কাজ প্রায় সম্পন্ন: সিএসই চেয়ারম্যান

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

Published:02 Nov 2024, 03:15 AM

বাংলাদেশে প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার কাজ প্রায় সম্পন্ন: সিএসই চেয়ারম্যান


বাংলাদেশে প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছেন চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির (সিএসই) চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান। শনিবার (২ নভেম্বর) সিএসইর প্রধান কার্যালয়ে দুই দিনব্যাপী কমোডিটি ডেরিভেটিভস বিষয়ক প্রথমবারের মতো সার্টিফিকেট প্রশিক্ষণ উদ্বোধনকালে তিনি এ তথ্য জানান।


তিনি জানান, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তিনটি অংশ—রেগুলেটরি, কারিগরি ও মার্কেট ডেভেলপমেন্টের কাজ প্রয়োজন। রেগুলেটরি ও কারিগরি অংশ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে, এবং মার্কেট ডেভেলপমেন্টও চলছে।


এ অনুষ্ঠানে সিএসই ও ডিএসইর প্রতিনিধি ছাড়াও সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এমসিএক্স ইন্ডিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট দেবজ্যোতি দে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।


সিএসই চেয়ারম্যান বলেন, “এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হলো অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা, জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গি উন্নত করা। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন মার্কেটে অংশগ্রহণের প্রক্রিয়ায় তারা আরও এগিয়ে যাবে।”


বিশেষ অতিথি ও সিএসইর পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশে কমোডিটি এক্সচেঞ্জের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরেই অনুভূত হচ্ছিল, যা পণ্যের সঠিক মূল্য নির্ধারণ ও স্থিতিশীলতা আনবে। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো এদিক থেকে অনেক এগিয়ে থাকলেও আমরা এখনও পিছিয়ে আছি। এই এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হলে উৎপাদনকারী থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সবাই উপকৃত হবে।”


সিএসইর এমডি এম সাইফুর রহমান জানান, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরির কাজ শেষ হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় রেগুলেশন অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। সিএসই টিম গত দুই বছর ধরে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং আজকের এই প্রশিক্ষণ মার্কেট প্রস্তুতির জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।


তিনি বলেন, "এই প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা এক্সচেঞ্জের অংশীদার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং পরবর্তী প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দিতে সক্ষম হবে। সবার সহযোগিতায় অল্প সময়ের মধ্যেই একটি শক্তিশালী কমোডিটি এক্সচেঞ্জ গঠন করতে আমরা আশাবাদী।”