• বুধবার ৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • /
  • জমি-ফ্লাট
  • /
  • মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম ৩৬০৪ বাংলাদেশির

মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম ৩৬০৪ বাংলাদেশির

দেশের টাকা পাচার করে বিদেশে বাড়ি-গাড়ি করায় ওস্তাদ বাংলাদেশিরা। সেকেন্ড হোম হিসেবে বাংলাদেশিদের কাছে অন্যতম পছন্দের দেশ মালয়েশিয়া। দেশটিতে দ্বিতীয় নিবাস গড়ায় বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশিদের অবস্থান পঞ্চম। চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস গড়েছেন ৩৬০৪ জন বাংলাদেশি। খবর মালয় মেইলের।


সেকেন্ড হোম হিসেবে বাংলাদেশিদের কাছে অন্যতম পছন্দের দেশ মালয়েশিয়া


মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়ার একটি সরকারি প্রকল্প হচ্ছে ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম (এমএম২এইচ)’। এই কর্মসূচির আওতায় মালয়েশিয়াকে সেকেন্ড হোম বানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অন্তত ৫৬ হাজার মানুষ।


তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন চীনের নাগরিক, দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়ান, তৃতীয় দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক, চতুর্থ জাপানের নাগরিক ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশিরা।



মালয়েশিয়ার শিল্প ও পর্যটনমন্ত্রী দাতুক সেরি টিয়ং কিং সিং দেশটির পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় ‘সেকেন্ড হোম’ পাসধারী সক্রীয় ব্যক্তি রয়েছেন ৫৬ হাজার ৬৬ জন। তাদের মধ্যে নির্ভরশীল পাসধারীও রয়েছেন।


শিল্প ও পর্যটনমন্ত্রী টিয়ং কিংসিং জানান, মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়ায় শীর্ষে রয়েছেন চীনের নাগরিকরা; তাদের সংখ্যা ২৪ হাজার ৭৬৫ জন। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়া থেকে ৯২৬৫ জন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৪৯৪০ জন এবং জাপানের ৪৭৩৩ জন এমএম২এইচ কর্মসূচির আওতায় রয়েছেন।


মন্ত্রীর তথ্য অনুসারে, তালিকায় পঞ্চমস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩ হাজার ৬০৪ জন বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়েছেন।


বাংলাদেশের পরই যুক্তরাজ্যের অবস্থান। দেশটির ২ হাজার ২৩৪ জন মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়েছেন। এছাড়াও সিঙ্গাপুর, ভারত, তাইওয়ান, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দারাও রয়েছেন মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়ার তালিকায়।


এমএম২এইচ কর্মসূচিতে আবেদনের বয়সসীমা অন্তত ৩০ বছর। মূলত আর্থিক সক্ষমতার ভিত্তিতে প্লাটিনাম, গোল্ড ও সিলভার- এই তিন স্তরে ভাগ করে সেকেন্ড হোম গড়ার সুযোগ দিচ্ছে মালয়েশিয়া।


নিবাস গড়ার ক্ষেত্রে প্লাটিনাম স্তরের আওতায় ৫০ লাখ রিঙ্গিত, গোল্ড স্তরে ২০ লাখ রিঙ্গিত এবং সিলভার স্তরে ৫ লাখ রিঙ্গিত স্থায়ী আমানত রাখার বাধ্যবাধকতা রেখেছে মালয়েশিয়া। এছাড়া পাসধারী ব্যক্তিকে অবশ্যই বছরে অন্তত ৬০ দিন মালয়েশিয়ায় বসবাস করতে হয়।


দেশের টাকা পাচার করে মালয়েশিয়া ও কানাডায় বাংলাদেশিদের তথাকথিত সেকেন্ড হোম গড়া, সিঙ্গাপুরে তারকা হোটেলের মালিকানা ও সুইস ব্যাংকে অর্থ রাখার বিষয়গুলো বেশ কয়েক বছর ধরেই আলোচিত। মালয়েশিয়ার সরকারি তথ্যে এবার মিলল তার প্রমাণ।